MS-DOS-এর কমান্ড ও কনফিগারেশন ফাইল সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

এবারে আমরা MS-DOS-এর বিভিন্ন কম্যান্ড বা নির্দেশ দেওয়া থেকে আরম্ভ করে বিভিন্ন কনফিগারেশন ফাইল ইত্যাদি সম্পর্কে জানব।

আমরা আগেই PC সম্বন্ধে আলােচনা করেছি(কম্পিউটার শিক্ষা বিভাগে পড়ে নিন আগের পোস্টগুলি) এবং ফাইল, ডিরেক্টারী, বুটিং ইত্যাদি সম্পর্কেও আমাদের ধারনা হয়েছে। MS-DOS-এ PC-কে বুট করার পর C: >- প্রম্পট আমাদের সামনে আসে।

এখান থেকেই এবারে আমাদের কাজ শুরু হবে।

ইন্টার্নাল এবং এক্সটার্নাল কম্যান্ড

MS-DOS-এ কম্যান্ড ইন্টারপ্রিটার সরাসরি যে যে নির্দেশগুলাে বােঝে তাকে বলে DOS-এর ইন্টার্নাল (internal) কম্যান্ড। এই নির্দেশগুলাে COMMAND.COM সরাসরি বুঝতে পারে।

কম্যান্ড ইন্টারপ্রিটার মেমরীতে বসেই এই নির্দেশ গ্রহণ করতে পারে ও পালন করতে পারে।

এজন্য আলাদা করে কোন ফাইল-এর প্রয়ােজন হয় না।

অপরদিকে MS-DOS-এ এক্সিকিউটেবল ফাইল (EXE এবং COM এক্সটেনশন যুক্ত) হিসাবে থাকে সমস্ত এক্সটার্নাল কম্যান্ড। এগুলাে সরাসরি COMMAND.COM-এর বােধ্য নয়।

এই কম্যান্ডগুলােকে বলে এক্সটার্নাল কম্যান্ড। এগুলাে হল আসলে এক্সিকিউটেবল ফাইল।

MS-DOS-এ এই ধরনের কম্যান্ড (এদেরকে অনেক সময় MS-DOS-এর ইউটিলিটি প্রােগ্রামও বলা হয়)-এর সংখ্যাই বেশি।

বিভিন্ন ইন্টার্নাল কম্যান্ড: ইন্টার্নাল কম্যান্ডগুলাে ব্যবহার করা হয় ডিস্ক ডিরেক্টারী দেখা, ফাইলকে খুলে দেখা, ফাইল কপি করা ও মুছে ফেলা, ফাইলের নাম পরিবর্তন, ডিরেক্টারী তৈরী ও পরিবর্তন ইত্যাদি কাজের জন্য।

DIR

DIR-এর পুরাে অর্থ হল ডিরেক্টারী, অর্থাৎ এটা দিলে DOS ডিস্ক ডিরেক্টারীকে রিড করে ফাইল নাম এবং অন্যান্য তথ্য আমাদের সামনে এনে হাজির করবে।

ব্যবহারের ফরম্যাট হল-
DIR < drive : ><path >< files > / options.

উদাহরণ : DIR A: –

↵ হল এন্টারের চিহ্ন, অর্থাৎ কীবাের্ডে DIR A: লিখে এন্টার চাপতে হবে, A: হল A ড্রাইভ। লেটারের শেষে : চিহ্ন ব্যবহার করা হয় MS-DOS-এ (সেরকমই C: হল C ড্রাইভ, D: হল D ড্রাইভ ইত্যাদি)

< path > হল ডিরেক্টারী পাথ, এটার ব্যাপারে আমরা একটু পরেই জানবাে। DIR- এর সঙ্গে ইচ্ছা করলে ফাইল নেমও দেওয়া যায়, যাতে জানা যায় যে ঐ নামের ফাইলটা ডিস্কে আছে কি না।

যেমন DIR COMMAND.COM লিখে এন্টার চাপলে ডিস্কে ঐ ফাইলটি আছে কি না তা জানা যায়। এবারে দেখা যাক DIR কম্যান্ড দেওয়ার পরে স্ক্রিনে আমরা কি আউটপুট পাব-

এখানে দেখা যাচ্ছে যে ডিস্কে কি কি ফাইল ও সাব ডিরেক্টারী আছে। আপনার PC-র ক্ষেত্রে এই তালিকাটা অন্য রকমের হবে, হয়ত আপনি অনেক বেশি ফাইল ও ডিরেক্টারী দেখতে পাবেন।

একেবারে প্রথম লাইনে দেখা যাচ্ছে ডিস্কের লেবেল বা ভলুম নেম (volume name)। এটা ডিস্ক ডিরেক্টারীর একটা অংশ। এখানে আপনি DOS-এর বিশেষ ইউটিলিটির সাহায্যে একটা নাম (যেমন, আমরা কোন বই-এ আমাদের নাম লিখে রাখতে পারি) লিখে রাখতে পারেন।

এর পরের অংশটা হল ভল্ম সিরিয়াল নম্বর, এটা আপনি সাধারণভাবে পরিবর্তন করতে পারবেন না। তারপরের লাইনে থাকবে কোন ডিরেক্টারীর অন্তর্গত ফাইলগুলি আপনি দেখছেন তার নাম। এখানে Directory of C:-এর অর্থ হল C ড্রাইভের রুট ডিরেক্টারী।

এর পরের অংশে থাকবে ফাইলের বা ডিরেক্টারীর নাম, বাইটের হিসাবে প্রতিটি ফাইলের সাইজ, কবে এই ফাইলকে শেষবারের মত পরিবর্তন করা হয়েছে তার তারিখ এবং সময়। এখানে তারিখের ফরম্যাটটা হল mm-ddyy, অর্থাৎ 04–08-01 হল ৪ই এপ্রিল, 2001 সাল।

সবশেষে দেখা যাবে মােট ফাইল সংখ্যা (উল্লেখ্য যে ডিরেক্টারীও আসলে একটা ফাইল, তবে তার সাইজ DOS দেখায় না), সবকটা ফাইলের মােট সাইজ ও ডিস্কে আরও কতটা জায়গা খালি আছে তার পরিমাপ।

MS-DOS যেহেতু FAT 16ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করে তাই এখানে একটা হার্ড ডিস্ক পার্টিশন-এর সর্বোচ্চ মান হবে 2.1 গিগাবাইট।

কম্যান্ড দেওয়ার পরে MS-DOS আউটপুট দেখালে পুণরায় ডস প্রম্পট চলে আসে, অর্থাৎ প্রথম কম্যান্ড-এর কাজ সে পালন করেছে এবং পরবর্তী কম্যান্ড নেওয়ার জন্য সে রেডি।

যদি আপনি কখনও ভুল কম্যান্ড দেন এবং সেই ভুল নামেরই কোন এক্সিকিউটেবল ফাইল ঐ ডিরেক্টারীতে না থাকে, তবে MS-DOS দেখাবে-

Bad command or filename
এবারে দেখা যাক DIR-এর সঙ্গে আর কি কি অপশন ব্যবহার করা যায়—

IP

এটা ব্যবহার করলে ডিরেক্টরী লিষ্টিংটা পেজওয়াইজ দেখায়। যদি ডিস্ক বা ডিরেক্টারীতে প্রচুর ফাইল থাকে তবে লিষ্টিং-এর প্রথম দিককার তথ্যগুলাে উপরের দিকে স্ক্রোল করে অদৃশ্য হয়ে যায়।

এই অবস্থায় DIR /P বা DIR A:/P নির্দেশ ব্যবহার করলে ডিরেক্টারী লিষ্টের প্রথম পেজটা স্ক্রিনে আসে এবং সবশেষ লাইনে লেখা থাকে Press any key to continue…..।

এই অবস্থায় তথ্য পড়া হয়ে গেলে কীবাের্ডে যে কোন একটা কী বাটন চাপলেই (সাধারণতঃ স্পেসবার চাপা হয়। পরবর্তী পেজটা স্ক্রিনে চলে আসে। এইভাবে চলতে থাকে যতক্ষণ না লিষ্ট শেষ হচ্ছে।

 

/ W

ওয়াইড ফর্ম্যাটে স্ক্রিনে ডিরেক্টারী লিষ্ট দেখার জন্য এই অপশন। DIR/W দিলে পুরাে স্ক্রিন জুড়ে লিষ্ট আসে। অবশ্য এই ফর্ম্যাটে শুধুমাত্র ফাইল-এর নামটাই দেখা যায়, সাইজ ইত্যাদির তথ্য পাওয়া যায় না।

/ S

যে ডিরেক্টারীর অন্তর্গত সাব-ডিরেক্টারী লিষ্টিং আপনি দেখছেন, তার অন্তর্গত সমস্ত সাব-ডিরেক্টারীর ফাইল লিষ্ট /S প্রয়ােগে দেখতে পাওয়া যায়।

যেমন, যদি আপনি C বা A ড্রাইভের রুট ডিরেক্টারীতে থাকেন ও DIR/S ↵ করেন, তবে আপনি সমস্ত সাব-ডিরেক্টারীর অন্তর্গত ফাইলগুলােকে দেখতে পাবেন। অর্থাৎ ডিস্কের সব ফাইলের লিষ্টই আপনার সামনে আসবে।

যেহেতু এই লিষ্ট অনেক বড় হবে ও স্ক্রোল করতে থাকবে, তাই এখানে আপনি /P অপশন (একসঙ্গে দুই বা ততােধিক অপশনও প্রয়ােগ করা যাবে) প্রয়ােগ করতে পারেন। অর্থাৎ আপনাকে নির্দেশ দিতে হবে-

DIR/S/P ↵

/ L

এটা লােয়ারকেস (lowercase)-এ অর্থাৎ ছােট হাতের অক্ষরে আউটপুট দেয়। MS-DOS-এর যে কোন কম্যান্ডকে ছােট বা বড় হাতের অক্ষরে লেখা যায়। DIR- এর সঙ্গে / L ব্যবহার করলে লিষ্টিংটা ছােট হাতের অক্ষর বা small letter-এ আসবে।

/ B

এটা হল বেয়ার ফ্যাট আউটপুট, অর্থাৎ কেবলমাত্র ফাইলের নামই পাওয়া যাবে,অন্য কিছু নয়।

Q:order

ডিরেক্টারীর আউটপুটকে ফাইল নেম, এক্সটেনশন বা অন্য কোন ফিল্ডের উপর সর্ট বা ক্রমানুসারে বের করতে হলে এই অর্ডার ফম্যাট প্রয়ােগ করতে হয়। অর্ডার-এর ক্রমগুলি হল-
  • / O : N – প্রাইমারি নেম-এর উপর সর্টিং
  • / O : S – ফাইল সাইজ-এর উপর সর্টিং
  • / O: E – সেকেণ্ডারী নেম বা এক্সটেনশন-এর উপর সর্টিং
  • / O: D – ডেট বা তারিখ-এর উপর সর্টিং
  • / O: G – প্রথমে সমস্ত সাব-ডিরেক্টারী, তারপরে ফাইল

/ A:attribute

আগে আমরা ফাইলের অ্যাট্রিবিউট সম্পর্কে জেনেছি। বিভিন্ন অ্যাট্রিবিউটের ফাইল ও ডিরেক্টরী লিষ্টিং দেখবার জন্য আমরা ব্যবহার করব / A: ফরম্যাট।
  • / A: A – আর্কাইভ অ্যাট্রিবিউটযুক্ত ফাইল লিষ্ট
  • / A : D – কেবলমাত্র সাব-ডিরেক্টারী লিষ্ট
  • / A: R – রিড ওনলি ফাইল দেখার জন্য
  • / A : H – হিডেন ফাইল দেখবার জন্য
  • / A : S – সিস্টেম ফাইল দেখবার জন্য

স্ক্রিন পরিষ্কার করা – CLS

এতক্ষণ অনেক কাজ করে স্ক্রিনটা ভর্তি হয়ে গেছে, তাই না? তাহলে এটা একটু পরিষ্কার করা দরকার। এজন্য DOS-এ CLS রয়েছে কম্যান্ড।
এর সঙ্গে কোন অপশন বা প্যারামিটার নেই, শুধুমাত্র CLS লিখে এন্টার মারলেই পুরাে স্ক্রিন পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং স্ক্রিনের একেবারে উপরে কম্যান্ড প্রম্পট দেখা দেবে।

ডিরেক্টারী মেন্টেনেন্স – MD, CD, RD

এর আগে আমরা ডিরেক্টারী ও সাব-ডিরেক্টারী সম্পর্কে বিস্তারিত আলােচনা করেছি। MS-DOS-এ এই ডিরেক্টারী নিয়ে কাজ করবার বেশ কিছু কম্যান্ড রয়েছে।
আসুন এক এক করে তাদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাক-

MD বা MKDIR

মেক ডিরেক্টারী বা নতুন ডিরেক্টারী তৈরী করবার কম্যান্ড। আপনি যে ডিরেক্টারীতে (বুট করবার পরে আপনি A বা C ড্রাইভের রুট ডিরেক্টারীতে থাকবেন।
এইসময় কম্যান্ড প্রম্পট-এর চেহারা হবে C:> এবং নির্দেশ করবে আপনি C: বা C ড্রাইভের রুট ডিরেক্টারীতে আছেন) থাকবেন তার আন্ডারে এক বা একাধিক সাব-ডিরেক্টারী তৈরী করতে পারেন MD বা MKDIR (দুটো একই কম্যান্ড, যেটা খুশি ব্যবহার করতে পারেন, সাধারণতঃ সবাই MD-ই ব্যবহার করে) কম্যান্ড-এর সাহায্যে।
  • C:>MD SALES 
  • C:>MD SALARY 
  • C:>MD PURCHASE 
 

ডিরেক্টারী বা সাব-ডিরেক্টারীর নামকরণের ক্ষেত্রে ফাইল-এর নামকরণ পদ্ধতি হুবহু প্রযােজ্য।

তার মানে এখন আমরা C: বা C ড্রাইভের রুট ডিরেক্টারীতে তিনটি সাব-ডিরেক্টারী তৈরী করলাম যাদের নাম যথাক্রমে SALES, SALARY এবং PURCHASE। তাহলে এখন ডিরেক্টরী স্ট্রাকচার বা ট্রি স্ট্রাকচারটা হল নীচের মত-

C: – SALES
C: – SALARY
C: – PURCHASE
 

এখানে এই তিনটিই হল ফাষ্ট লেভেল ডিরেক্টারী (first level directory)। তেমনি এর আন্ডারে যদি আরও ডিরেক্টারী তৈরী করা যায় তবে তা হবে সেকেন্ড লেভেল ডিরেক্টারী এবং এইভাবে চলতে থাকবে।

Read More:  পশ্চিমবঙ্গ/বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য রচনা

MS-DOS-এ ফাইলের প্রকৃত অবস্থানটা নির্দেশ করা হয় পাথ (path) দিয়ে।

পাথ হল ঐ ফাইলের কাছে পৌঁছনাের ট্রি স্ট্রাকচার্ড রাস্তা। যেমন SALARY ডিরেক্টারীর মধ্যে যদি JAN2001 নামক একটা ফাইল থাকে তবে তার পাথ হবেC:SALARYAN2001।

প্রতিটি লেভেলের ডিরেক্টারীকে আলাদাভাবে বােঝানাের জন্য ।

(উচ্চারণ ব্যাকস্ল্যাশ) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। তাহলে JAN 2001 নামক ফাইলের পুরাে পাথ হল C: SALARY JAN2001। একই রকমভাবে উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে । COMMAND.COM-এর অবস্থান বা Path হল C:COMMAND.COM।

চেঞ্জ ডিরেক্টারী

CD বা CHDIR

ডিরেক্টারী তাে তৈরী হল, কিন্তু এবার আমরা এর মধ্যে ঢুকব কিভাবে? এজন্য MS-DOS-এ আছে CD বা CHDIR কম্যান্ড।
CD-র সাহায্যে আমরা যে কোন ডিরেক্টারী প্রবেশ করতে পারি এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি। CD ব্যবহারের সিনট্যাক্স হল-
CD < path> 
(প্রসঙ্গতঃ বলি যে সব কম্যান্ডের শেষেই এন্টার চাপতে হয়, তাই এর পরের থেকে উদাহরণে আর এন্টার চিহ্ন () ব্যবহার করা হবে না। মনে রাখবেন যে প্রতিটি কম্যান্ড দেওয়ার পরে এন্টার অবশ্যই মারতে হবে)
যেমন-CD SALARY
এর ফলে আপনি C ড্রাইভের অন্তর্গত SALARY সাব-ডিরেক্টারীতে ঢুকে যাবেন। এই সময় কম্যান্ড প্রম্পট-এর চেহারা পরিবর্তিত হয়ে হবে C:SALARY > এবং নির্দেশ করবে যে আপনি এখন SALARY ডিরেক্টারীতে আছেন।
এখানে এবারে একটা সাব-ডিরেক্টারী বানানাে যাক-
MD 20012002.SAL
 
এবারে ঐ ডিরেক্টারীতে ঢুকুন-
CD 20012002.SAL

তাহলে আপনি এখন রয়েছেন C:SALARY20012002.SAL নামক ডিরেক্টারীতে।আমরা উদাহরণে যদিও ডিরেক্টারীর একটা সেকেন্ডারী নেম (.SAL) ব্যবহার করেছি, আপনিও করতে পারেন, তবে সাধারণতঃ কেউ ডিরেক্টারীর সেকেণ্ডারী নেম ব্যবহার করে না।

এখন আপনি যেখানে রয়েছেন সেটা হল, সেকেণ্ড লেভেল ডিরেক্টারী, এখানে SALARY.DBF নামক ফাইল রাখলে সেটার পাথ হবে C:SALARY20012002.SALISALARY.DBF-

যেকোন খালি ডিরেক্টারীতে (অর্থাৎ যাতে কোন ফাইল নেই) থাকা অবস্থায় যদি আপনি DIR করেন তাহলে দেখতে পাবেন-

 

আগেই বলেছি যে ডিরেক্টারী হল প্রকৃতপক্ষে একটা বিশেষ ধরনের ফাইল।

এই ডিরেক্টারীর মধ্যে আপনি আবার দুটো ডিরেক্টারী ফাইল দেখতে পাবেন।.<DIR > হল কারেন্ট ডিরেক্টারী নির্দেশক। অর্থাৎ . বলতে বােঝায় কারেন্ট ডিরেক্টারী বা যে ডিরেক্টারীতে আপনি এখন রয়েছেন।

তেমনিই .. বলতে বােঝায় পেরেন্ট (parent) ডিরেক্টারী, অর্থাৎ তার উপরের লেভেলের ডিরেক্টারী যার আন্ডারে এটা রয়েছে। এইভাবে প্রতিটি ডিরেক্টারীর মধ্যেই আপনি এই দুটো বিশেষ ডিরেক্টারী ফাইল দেখতে পাবেন।

এছাড়া কোন ডিরেক্টারীতে থাকা অবস্থায় DIR কম্যান্ড দিলে প্রথম থেকে তৃতীয় লাইনে আপনি কারেন্ট ডিরেক্টারীর পাথ দেখতে পাবেন। এছাড়া বাই ডিফল্ট অবস্থায় কম্যান্ড প্রম্পটও পাথকে নির্দেশ করবে।

তাহলে দেখা গেল যে CD বা CHDIR কম্যান্ড ব্যবহার করে আমরা যেকোন ডিরেক্টারীতে প্রবেশ করতে পারি। কিন্তু বেরিয়ে আসব কিভাবে? এখানেও CD ব্যবহার করতে হবে।

⚫ যদি আমরা এক লেভেল পেছনে পিছিয়ে আসতে চাই (যেমন ধর্ড লেভেল থেকে সেকেণ্ড লেভেল বা সেকেণ্ড লেভেল থেকে ফার্স্ট লেভেল) তবে কম্যান্ড দেব CD.. ধরুন আমি এখন রয়েছিC:SALARY2001200 2BASICPAY-তে।

এই অবস্থায় আমার PC-তে কম্যান্ড প্রম্পট (সাধারণভাবে) দেখাবে C:SALARY 20012002BASICPAY >.। এখানে CD.. করলে আমি পৌঁছে যাব C:SALARY20012002-তে। অর্থাৎ এক স্টেপ আপার লেভেলে উঠে এলাম (BASICPAY থেকে 20012002-তে)।

পুনরায় এখানেও CD.. লিখে এন্টার চাপলে আমরা চলে যাব C:SALARY-তে। সেখানেও যদি CD..করি তাহলে সরাসরি পৌঁছে যাব C:-এ অর্থাৎ C ড্রাইভের রুট ডিরেক্টারীতে।

যদি এখানে কোন ভুল ডিরেক্টারী নেম দিই বা রুট ডিরেক্টারীতে থাকা অবস্থাতেই CD..করি তবে MS-DOS দেখাবে Invalid directory | এদেরকে বলে ডস্-এর এরর মেসেজ (error message)।

যেকোন লেভেলের ডিরেক্টারী অবস্থান থেকে যদি রুট ডিরেক্টারীতে আসতে হয় তবে ব্যবহার করতে হবে CD কম্যান্ড। যেমন-

  • C:SALARY20012002CHALLAN>CD 
  • C:>
⚫ CD র পরে সরাসরি পাথ নেম বলে দিলে সেই নির্দিষ্টডিরেক্টারীতে যাওয়া যায়।
যেমন-
  • C:>CD C:DOSBACKUPUTILSIGAMES H
  • C:DOSBACKUPUTILSIGAMES>
⚫ একই লেভেলের ডিরেক্টারীর মধ্যে যাওয়ার জন্য (যেমন একটা থার্ড লেভেল ডিরেক্টারী থেকে একই ট্রিতে অবস্থিত বা একই পেরেন্টের অন্তর্গত অপর একটি থার্ড লেভেল ডিরেক্টারীতে) আমরা ব্যবহার করি CD..। কম্যান্ড। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে যদি একটা ডিরেক্টারী ট্রি স্ট্রাকচার হয় নীচের মত

 

যদি A ডিরেক্টারী থেকে B বা C-তে যেতে হয় বা উল্টোটা (C থেকে B বা A) তবে কম্যান্ড দিতে হবে-
  • C:A> CD.. A B
  • C:B>-
তেমনিই AA থেকে AB বা BA থেকে BB-তে যেতে হলে-
  • C:A A> CD.. VAB
  • C:A B>-
..-এর অর্থহল এক লেভেল উপরে উঠে গিয়ে আবার এক লেভেল নীচে নেমে আসা।

RD বা RMDIR(রিমুভ ডিরেক্টারী)

RD বা RMDIR হল ডিরেক্টারী মুছে ফেলবার কম্যান্ড। অর্থাৎ এর সাহায্যে কোন খালি ডিরেক্টারী (অর্থাৎ যার মধ্যে কোন ফাইল নেই, কেবলমাত্র < DIR > এবং .. < DIR > ফাইল দুটি আছে)-কে মুছে ফেলা যায়।

তবে ডিরেক্টারীর ভেতরে থেকে তাকে মােছা যায় না। কোন ডিরেক্টারীকে মুছতে হলে তার এক লেভেল উপরে (অর্থাৎ থার্ড লেভেল ডিরেক্টারীর ক্ষেত্রে সেকেন্ড লেভেলে থাকতে হবে আপনাকে) বা পেরেন্ট ডিরেক্টারীর লেভেলে থেকে তবেই মােছা যাবে।

মনে রাখতে হবে ঐ ডিরেক্টারীর আন্ডারে যেন কোন ফাইল, খালি বা ভর্তি ডিরেক্টারীও না থাকে। যেমন-

উপরের এই ট্রি স্ট্রাকচারে COMPANY ডিরেক্টারীতে থাকা অবস্থায় আপনি SHARE ডিরেক্টারীকে মুছে ফেলতে পারবেন। এজন্য RD কম্যান্ডের প্রয়ােগ ফর্ম্যাট হল-
C:COMPANY>RD SHARE
যদি SHARE ডিরেক্টারীতে কোন ফাইল না থাকে তবে এটা সরাসরি মুছে গিয়ে C:COMPANY >- প্রম্পট দেখা দেবে। যদি SHARE ডিরেক্টারীতে কোন ফাইল থাকে তবে MS-DOS একটা এরর মেসেজ দেখাবে-
Invalid path, not directory,
or directory not empty

একই ঘটনা ঘটবে DIRECTOR ডিরেক্টারীকে মােছবার সময়। এর মধ্যে কোন ফাইল না থাকলেও দুটো ডিরেক্টারী (ACTIVE এবং INACTIVE নামের) থাকার জন্য এটাও মােছা যাবে না।

এটাকে মুছতে হলে ঐ দুটো ডিরেক্টারীকে DIRECTOR-এর ভেতরে ঢুকে আগে মুছতে হবে, তারপরে COMPANY নামক ডিরেক্টারীতে ফিরে এসে এবারে DIRECTOR-কে মুছতে হবে।

ডিরেক্টারীতে ফাইল থাকলে সেটা মােছার জন্য ফাইল ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন কম্যান্ড রয়েছে MS-DOS-এ। এবারে আমাদের আলােচনার বিষয় হল সেটাই।

 

MS-DOS-এর ফাইল ও অন্যান্য ইন্টার্নাল কম্যান্ড

TYPE

টাইপ কম্যান্ড প্রয়ােগ করে কোন টেক্সট ফাইলের বিষয়বস্তু দেখা যেতে পারে। তবে প্রােগ্রাম বা অন্যান্য ফাইলকে এর দ্বারা খুললে বিভিন্ন ধরনের জাঙ্ক ক্যারেক্টার দেখা যায়।

এজন্য TYPE দিয়ে কেবলমাত্র অ্যাসকি (ASCII) বা স্ট্যান্ডার্ড কোডের ফাইলই খােলা উচিৎ | এই ধরনের ফাইলের এক্সটেনশন সাধারণতঃ TXT (টেক্সট) বা DOC (ডকুমেন্ট) ইত্যাদি হয়ে থাকে। প্রয়ােগের ফরম্যাট হল-

TYPE <path > filename
যেমন-
এখানে উল্লেখ্য যে / P জাতীয় কোন সুইচ বা অপশন এখানে নেই। path হিসাবে কিছু বলে না দিলেও কারেন্ট ডিরেক্টারীকেই ধরে নেবে। যদি ফাইলের সাইজ বড় হয় তবে তা স্ক্রোল করে যাবে।

COPY

MS-DOS-এ COPY কম্যান্ড-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর সাহায্যে এক বা একাধিক ফাইলের ডুপ্লিকেট কপি তৈরী করা যায়। এর প্রয়ােগের ফরম্যাট হল-

COPY < path source file> < path target file>

যেখানে source file হল যে ফাইলের ডুপ্লিকেট কপি তৈরী করা হবে সেটা। টারগেট ফাইল (target file) হল ডুপ্লিকেট ফাইলটির নাম। PC-তে ডিজিটাল বা বাইনারী ফরম্যাট- এর ফাইল হওয়ার জন্য কপি করলেও ফাইল অবিকল একই (যদি না বিশেষ কোন কপি প্রােটেকশন সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা হয়) হয়। সাধারণতঃ আমরা ডেটা ফাইল (অর্থাৎ যেটা আমরা বিভিন্ন ভাবে তৈরী করেছি) কপি করে থাকি।

একই ডিরেক্টারীতে একই নামে দুটো ফাইল থাকতে পারে না। সুতরাং যদি টার্গেট পাথ একই হয় তবে টার্গেট ফাইলের একটা আলাদা নাম দিতে হয়। তা না হলে দুটো আলাদা ডিরেক্টারীতে একই নামের ফাইল থাকতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়

  • C:>COPY COMMAND.COM COMMAND1.COM
  • C:>COPY COMMAND.COM C:DOS
উল্লেখ্য যে টার্গেট পাথ যদি আলাদা হয় তবে টার্গেট ফাইলের নাম উল্লেখ না করলেও চলে। এক্ষেত্রে সাের্স ফাইলের নামেই অন্য ডাইরেক্টারীতে টার্গেট ফাইল কপি হয়। যদি আপনার টার্গেট ফাইল-এর নাম পরিবর্তন করবার প্রয়ােজন হয় তবে টার্গেট পাথ-এর পরে তার নতুন নাম দিয়ে দিন-
  • C:>COPY C:DATAASIA.DAT C:DATAEUROPE.DAT
  • C:>COPY C:JOBNUPUR.TXT C:JHUMUR.TXT
যে টার্গেট ডিরেক্টারী বা ডেস্টিনেশন ডিরেক্টারীতে আপনি ফাইলটাকে কপি করতে চাইছেন, অথবা একই ডিরেক্টারীতে যদি ফাইল কপি করেন ও তার আলাদা নাম দেন, সেই টার্গেট ফাইলটির নামে যদি অপর একটি ফাইল থাকে (যেমন C:PURCHASE-এ যদি REPORT.DBFফাইলটি থাকে এবং আপনি অন্য কোন জায়গা থেকে। REPORT.DBF নামক ফাইলকে ঐ ডিরেক্টারীতে কপি করতে চান) তবে MS-DOS ঐ পুরােনাে ফাইলটিকে ওভাররাইট করবার আগে আপনার অনুমতি চাইবে, স্ক্রীনে দেখাবে-
Overwrite < path filename > (Yes / No / All)

এটা একটা বিরাট বড় সুবিধা। আগেকার ভার্শনের DOS-এ এই ব্যবস্থা ছিল না। এখানে Y চাপলে (কীবাের্ড-এ) ঐ নির্দিষ্ট ফাইলটি কপি হবে, N চাপলে কপি হবে না এবং A (All) চাপলে সমস্ত ওভাররাইটিং চলতে থাকবে, MS-DOS এই সেশনে আর আপনাকে ওভাররাইটিং-এর সতর্কতা দেবে না। সাের্স ফাইল এবং ডেস্টিনেশন ফাইল-এর নাম ও পাথ যদি একই হয় তবে MS-DOS জানাবে।

Read More:  Vijay Varma Biography: Wife, Movies, Age, Family, Wiki
File cannot be copied onto itself
COPY কম্যান্ডের সাহায্যে প্রধানতঃ হার্ডডিস্ক থেকে ফ্লপিতে ফাইল কপি করা হয়,
যেমন-
  • C:SALES>COPY REPORTS.DAT A:1
  • C:ORIGIN>COPY MYPAGE.H A:IORIGIN
  • A:>COPY BUDGET.TXT C:DATAMYDOC
  • C:>COPY COMMAND.COM A:

কপি কম্যান্ড-এর সঙ্গে অপশনাল হিসাবে ব্যবহার করা যায় /v বা ভেরিফাই। এটা ব্যবহার করলে ফাইল কপি হওয়ার সময় এবং পরে এই কপিকে পরীক্ষা করে দেখা হয় যে তা হুবহু আসলের মতই হয়েছে কি না।

প্রকৃতপক্ষে এক্ষেত্রে ফাইল কপির পর তা রিড করে দেখা হয় যে ঠিক আছে কি না। স্বাভাবিক ভাবেই এতে কিছুটা বেশি সময় লাগে। কিন্তু / V ব্যবহার করলে বাড়তি নিরাপত্তা পাওয়া যায়, বিশেষ করে ফ্লপি ডিস্কের ক্ষেত্রে। উদাহরণ-

  • C:>COPY MSCDEX.EXE A: /V 
 

MS-DOS-97 Wild Card Character

আমরা আগে জেনেছি যে ফাইল তৈরীর ক্ষেত্রে, অথাৎ ফাইল-এর নামকরণের জন্য * এবং ? চিহ্নকে ব্যবহার করা যায় না, অর্থাৎ *.TXT বা ? A.DOC হল ভুল ফাইল নেম । MS-DOS-এ এই দুটো অক্ষরকে বলা হয় ওয়াইল্ড কার্ড ক্যারেক্টার।

ওয়াইল্ড কার্ড ক্যারেক্টার দ্বারা আমরা এক বা একাধিক ফাইলকে নির্দেশ করতে পারি। প্রকৃত পক্ষে ওয়াইল্ড কার্ড হল গ্রুপ অফ ফাইল-এর নির্দেশক। এখানে * চিহ্ন নির্দেশ করে all files এবং ? নির্দেশ করে ফাইলের নামের একটি অক্ষর।

*.* হল সমস্ত ফাইল নির্দেশক, যেমন কোন একটা ডিরেক্টারীর মধ্যে যদি একাধিক TXT এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল থাকে তবে ঐ ডিরেক্টারীর ক্ষেত্রে সমস্ত TXT ফাইলকে একত্রে বােঝাতে *. TXT ব্যবহার করা হয়।

তেমনই A*.TXT বা CA*.DOCমানে হল A দিয়ে শুরু সমস্ত ফাইল নেম যাদের এক্সটেনশন হল TXT এবং CA দিয়ে শুরু সমস্ত ফাইল যাদের এক্সটেনশন হল DOC আরও কয়েকটি উদাহরণ-

  • RTO*.H* – RTO দিয়ে শুরু যেকোন ফাইল এবং H দিয়ে শুরু তার এক্সটেনশন, যেমন RTOS.HM, RTOSEB.HEM, RTOKTPRT.H, RTOE.HKK ইত্যাদি।
  • *. DO* – সমস্ত ফাইল, যাদের এক্সটেনশন DO দিয়ে শুরু। যেমন BILLS.DOC, LETTER.DOT, INVOICE.DO, SALES.DOK, PURCHASE.DOX ইত্যাদি।
  • KIPT. * – KIPT নামক প্রাইমারী নেম যুক্ত এবং যেকোন এক্সটেনশনের ফাইল, যেমন KIPT.DOC, KIPT.TXT, KIPT.EM, KIPT.H, KIPT.LET ইত্যাদি।
  • *.* – নির্দেশ করে কোন ডিরেক্টারীর সমস্ত ফাইলকে। আমরা যখন কোন ডিরেক্টারীতে DIR কম্যান্ড দিই, প্রকৃতপক্ষে আমরা দিই DIR *.* কম্যান্ড। অর্থাৎ MS-DOS-কে নির্দেশ দেওয়া হয় ডিরেক্টারীতে অবস্থিত সমস্ত ফাইলের লিস্ট দেখাতে।
* নামক ওয়াইল্ড কার্ড ক্যারেক্টারকে আমরা MS-DOS-এর বিভিন্ন কম্যান্ড-এর সঙ্গে মিশিয়ে প্রয়ােগ করতে পারি, যেমন-
  • DIR *.TXT – কোন ডিরেক্টারীর সমস্ত TXT ফাইলের লিস্ট দেখাবে।
  • DIR M*.* – M নাম দিয়ে শুরু সমস্ত ফাইল দেখাবে।
  • DIRKPT*.H /A: – ডিরেক্টারীতে হিডেন ফাইলের মধ্যে KPT দিয়ে শুরু এবং H এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল দেখাবে।
  • DIR *.K* – সমস্ত ফাইল যাদের এক্সটেনশন K দিয়ে শুরু তাদের নামের তালিকা দেখাবে।
বি: দ্র: * সবসময় কোন অক্ষর বা শব্দের পরে বসবে, অথবা একা থাকবে, কখনও শব্দ বা অক্ষরের আগে নয়। যেমন *M.K হল প্রকৃতপক্ষে *. K। অর্থাৎ ফাইলের নাম কি অক্ষর দিয়ে শেষ হচ্ছে সেটা * নামকওয়াইল্ড কার্ড বুঝতে পারে না এবং এই নির্দেশও গ্রহণ করতে পারে না। তাই *P.*D প্রকৃতপক্ষে হল *.* বা সমস্ত ফাইল।

* ওয়াইল্ড কার্ডকে আমরা DIR ছাড়াও COPY-এর সাথে (প্রকৃতপক্ষে যেখানেই ফাইল নেম লেখার দরকার হয় সেখানে আমরা ওয়াইল্ড কার্ড ক্যারেক্টার ব্যবহার করে grou- অফ ফাইলস্ বােঝাতে পারি) ব্যবহার করতে পারি, যেমন-

  • COPY *.DOC A:1 – কোন ডিরেক্টারীর সমস্ত DOC এক্সটেনশনযুক্ত ফাইলকে ফ্লপিতে কপি করবে।
  • COPY W*.TA * C:SORTED – প্রাইমারী নেম দিয়ে শুরু এবং TA দিয়ে এক্সটেনশন শুরু এরকম ফাইলদের C:SORTED-এরমধ্যে কপিকরে দেবে।
  • COPY *.*A: – কোন ডিরেক্টারীর সমস্ত ফাইলকে A ড্রাইভফ্লপিতে কপি করবে।
.? বা প্রশ্নবােধক চিহ্ন হল অপর একটা ওয়াইল্ড কার্ড ক্যারেকটার। * যেমন all possible (0 থেকে সর্বোচ্চ ক্যারেক্টার কার্ড) নির্দেশ করে, ? চিহ্ন নির্দেশ করে 0 থেকে সর্বোচ্চ ক্যারেক্টার, যেমন-
  • AKM?.DOC – AKM দিয়ে শুরু এবং একটা যেকোন অতিরিক্ত ক্যারেক্টার যুক্ত এবং DOC এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল নেম। যেমন- AKM1.DOC, AKM2.DOC, AKMX.DOC, AKMY.DOC ইত্যাদি।
  • ???.* – প্রাইমারী নেমে তিনটি ক্যারেক্টার আছে এবং যেকোন এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল। যেমন ABC.TXT, XYZ.DOC, KKK, RTZ.H ইত্যাদি।
  • ??ZIP. EXE – 12ZIP.EXE, GAZIP.EXE প্রভৃতি ফাইল। অর্থাৎ যার প্রথম দুটো অক্ষর যা খুশি হতে পারে, পরের তিনটে অক্ষর হল যথাক্রমে Z, I এবং P। তার মানে প্রাইমারী নেম হল এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচটা। এছাড়া এক্সটেনশন হল EXE।
  • SUDIPTO.? – SUDIPTO নামের যেকোন ফাইল যার এক্সটেনশন একটা ক্যারেক্টারের যেমন SUDIPTO.C বা SUDIPTO.H ইত্যাদি।
  • R??D*.* – প্রথম ক্যারেক্টার হল R তারপরে যেকোন দুটো ক্যারেক্টার হতে পারে, তারপরে এবং শেষে যেকোন অক্ষর যতখুশি (সর্বোচ্চ ৪ ক্যারেক্টারের মধ্যে হতে পারে। এক্সটেনশনও যা খুশি হতে পারে। C:DOS (ডিফল্টMS-DOS 6.22 ডিরেক্টারী) এ যদি আমরা DIR R?? D*.* লিখে এন্টার চাপি তবে তার আউটপুট নীচে দেখানাে হয়েছে।

বুঝতেই পারছেন যে ? ওয়াইল্ড কার্ডকেও * এর মতই DIR, COPY ইত্যাদি ফাইল। ম্যানেজমেন্ট কম্যান্ড ব্যবহার করা যায়। ব্যবহারের ফরম্যাটও হুবহু এক। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে যে এই দুটো ওয়াইল্ড কার্ড কখনই পাশাপাশি বসবে। যেমন *>?? হতে পারে, কিন্তু * ? EXE বা ?? *.? হতে পারে না। আসলে এই ধরনের কম্বিনেশনের কোন অর্থ হয় না।

 

MS-DOS-এ নতুন ফাইল তৈরী

আমরা আগে জেনেছি যে ফাইল হল প্রকৃতপক্ষে তথ্যের সমষ্টি। এই তথ্য কোন নির্দেশ বা প্রােগ্রাম হতে পারে বা হতে পারে ডেটা অথবা ইনফরমেশন। আমরা সাধারণভাবে MS-DOS-এ যে ফাইল তৈরী করতে পারি তাতে কোন ডেটা বা ইনফরমেশন রাখতে পারি।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে কোন চিঠি বা ডকুমেন্টকে আমরা তৈরী করতে পারি এবং তাকে একটা ফাইলের মধ্যে ভরে রেখে দিতে (পরিভাষায় একে বলা হয় ফাইল সেভ (SAVE) করে রাখা) পারি।

MS-DOS-এ এই কাজের জন্য ইউটিলিটি প্রােগ্রাম রয়েছে, কিন্তু প্রথমে আমরা দেখব কিভাবে কোন প্রােগ্রাম ছাড়াই আমরা সাধারণ টেক্সট ফাইল তৈরী করতে পারি।

এই কাজের জন্য আমরা MS-DOS-এ ব্যবহার করব COPY CON কম্যান্ড।CON- এর অর্থ কন:সাল বা কীবোর্ড। COPY CON-এর পুরাে অর্থ হল কীবাের্ড থেকে কপি করা, অর্থাৎ আমরা কীবাের্ডে যা টাইপ করব, সেটা আগে বলে দেওয়া ফাইলের নামের একটা ফাইলে টেক্সট ক্যারেক্টার হিসাবে ঢুকে যাবে।

তাহলে প্রথমেই কম্যান্ড দিন- C:>COPY CON LETTER.TXT ↵
 

এই কম্যান্ড দেওয়ার পরে কোন এফেক্ট দেখা যাবে না; এর বদলে এই লাইনের নীচে কারসার দেখা দেবে। এবারে এখান থেকে আপনাকে টাইপিং শুরু করতে হবে।

  • প্রথমে উপরের দিকে দু-একটা লাইন ছেড়ে দেওয়ার জন্য দু-একবার এন্টার চাপুন। কারসার নীচে নেমে এলে টাইপ শুরু করে দিন।
  • টাইপিং-এর সময় মনে রাখবেন, একটা লাইনে অনেক দূর পর্যন্ত (কারসার স্ক্রীন-এর সর্বোচ্চ ডানদিকে যেতে থাকবে) টাইপ করতে পারেন। তবে ৭০ থেকে ৭৫ অক্ষর (স্পেস সহ) প্রতি লাইনে রাখাই সুবিধাজনক এবং সহজে পড়া যায়।
  • লাইনে কোন বানান ভুল হলে লাইন শেষ করবার আগে ব্যাকস্পেস চেপেভুলটা মুছে সঠিক টাইপ করতে পারেন। লাইন শেষ হওয়ার পর এন্টার চাপতে হবে। এরপরে কারসার আর আগের লাইনে যাবে না, সুতরাং আগের লাইনে কোন ভুল থাকলে সেটা আর ঠিক করা যাবে না।
  • টাইপ করা শেষ হলে DOS-কে নির্দেশ দিতে হবে যে ফাইলটা (LETTER.TXT) শেষ হয়েছে। এজন্য,দু-একটা এন্টার চেপে দু-এক লাইন গ্যাপ দিয়ে সবশেষের লাইনে কারসার এনে Ctrl + Z (^Z) চাপতে (এক হাতে Ctrl চেপে ধরে Zকী চাপুন ও দুটোই ছেড়ে দিন) হবে। এখানে F6 (কীবাের্ডের উপরের অংশের ফাংশান কী) চাপলেও হয়। স্ক্রীনে ^Z দেখা যাবে। এবারে এন্টার চাপলেই স্ক্রীনে দেখা যাবে 1 file(s) copied মেসেজ। অর্থাৎ কীবাের্ড থেকে LETTER.TXT নামক ফাইলটা ডিস্কে কপি হয়ে গেল।
এইভাবে ফাইল তৈরী করাটা MS-DOS-এর একেবারে প্রিমিটিভ বা আদিম পদ্ধতি। আজকে MS-DOS-এর সঙ্গে এই ধরনের টেক্সট ফাইল তৈরী ও এডিট করবার জন্য অনেক এডিটার প্রােগ্রাম পাওয়া যাচ্ছে, ফলে এইভাবে এখন আর ফাইল তৈরী করা হয় না।

ফাইল মুছে ফেলা ও নাম পরিবর্তন করা

MS-DOS-এ অপ্রয়ােজনীয় ফাইলকে মুছে ফেলা ও যেকোন ফাইলের নাম পরিবর্তনের জন্যও কম্যান্ড রয়েছে। এবারে আমরা সেই নির্দেশগুলাে সম্পর্কে জানব।

DEL বা ERASE

এই কম্যান্ড ব্যবহার করা হয় এক বা একাধিক ফাইলকে মুছে ফেলবার জন্য। DEL বা ERASE যে কোনটা ব্যবহার করা যায়, তবে DELই বেশি ব্যবহৃত হয়-
C:>DEL <path namefile(s)>
যেমন-
C:>DEL C:DOSIREADTHIS.TXT
C:>ERASE C:PUBKUCDATAROOT.LOG
ফাইল ডিলিট বা মুছে ফেলবার সময় সতর্ক থাকতে হবে যাতে অসাবধানতা বশতঃ প্রয়ােজনীয় ফাইল মুছে না যায়। পাথ নেম হিসাবে কিছু বলে না দিলে ও এটাকে কারেন্ট ডিরেক্টারী বলে ধরে নেবে।
C:S ALESREPORTSJAN2001>DEL J2K.TMP 
DEL বা ERASE-এর সঙ্গে ওয়াইল্ড কার্ডও ব্যবহার করা যায়, যেমন- DEL বা ERASE-এর সঙ্গে ওয়াইল্ড কার্ডও ব্যবহার করা যায়, যেমন-
  • C:DOS>DEL *.TMP → এই নির্দেশ সমস্ত TMP ফাইলকে মুছে ফেলবে।
  • C:DOSUTIL>DEL A?.* → এটা A দিয়ে শুরু এবং সর্বোচ্চ দুটো ক্যারেক্টার প্রাইমারী নেম যুক্ত এবং যেকোন এক্সটেনশনের, বা এক্সটেনশন ছাড়া ফাইল মুছে ফেলবে। DEL বা ERASE-এরসঙ্গে। Pঅপশন ব্যবহার করা যায় যাতে প্রতিটি ফাইল ডিলিট করবার আগে সে আপনার অনুমতি চায়। যেমন-
Read More:  SpotemGottem Biography, Girlfriend & More
C:GENEDIT>DEL*.TXT/P করলে প্রতিটি ফাইল ডিলিট করবার আগে MS-DOS আপনাকে জানাবে Delete (Y/N)?

এখানে Y চাপলে ডিলিট হবে, N চাপলে ডিলিট হবে না। কোন ডিরেক্টারীর সমস্ত ফাইল মুছতে গেলে ব্যবহার করা হয় DEL *. * নির্দেশ। এটা দিলে কিন্তু ডিরেক্টারীর সমস্ত ফাইল মুছে যাবে, তাই সাবধান! ভুলভাবে যাতে এর প্রয়ােগ না হয়, সেজন্য এই নির্দেশ প্রয়ােগ করলেও ফাইল ডিলিট করবার আগেই MS-DOS দেখাবে এক সাবধানবানী-

All files in directory will be deleted!
you sure (Y/N)?
 

এখানে Y চাপলে সমস্ত ফাইল মুছে যাবে। এই কম্যান্ড সাধারণতঃ ব্যবহার করা হয় একটা পুরাে ডিরেক্টারীকে খালি করবার জন্য, খালি না করতে পারলে RD কম্যান্ড প্রয়ােগ করে ডিরেক্টারীকে মুছে ফেলা যায় না। এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে যে তাহলে মুছে ফেলা ফাইলকে কি পুনরুদ্ধার করা যায়? হ্যা, কিছু ক্ষেত্রে এটা সম্ভব, MS-DOS-এ UNDELETE নির্দেশ আছে, সেটার প্রয়ােগ আমরা যথা সময়ে জানব।

REN বা RENAME

ব্যবহার করা হয় ফাইলের নাম পরিবর্তনের জন্য। মনে করুন কোন একটা ফাইল আপনি তৈরী করেছেন এবং নাম দিয়েছেন DOCU.TXT। এতে রয়েছে কিছু টেক্সট ধরনের তথ্য। এবারে এই ফাইলের নাম যদি পরিবর্তন করতে হয় তবে আমরা ব্যবহার করব REN বা RENAME নির্দেশ। এর ব্যবহারের ফর্ম্যাট হল- REN<path old file name><path | new file name>
REN-এর বদলে RENAME কম্যান্ডও ব্যবহার করা যায়, ব্যবহারের সিনট্যাক্সও একই, তবে দ্রুত লেখা যায় বলে REN ই বেশি প্রচলিত। এখানে একটা উল্লেখ্য হল যে old file name-এর পাথ এবং new file name-এর পাথ একই হবে, আলাদা হতে পারবে না।
উদাহরণ-
  • C:>REN C:BUDGET BUDGET.REP C:BUDGET BUDGET.TXT 
  • C:BUDGET 20002001>RENAME TRAVEL.APP TOUR.RNT 

প্রথম উদাহরণে আমরা ডিরেক্টারীর বাইরে থেকে REN করছি, এজন্য old file এবং new file-এর সম্পূর্ণ পাথ দিতে হয়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আমরা ডিরেক্টারীর ভেতরেই আছি বলে কেবল old এবং new ফাইলের নামই দিতে হয়েছে।

ফাইলের এক্সটেনশনটাই হল প্রকৃতপক্ষে ফাইল-এর পরিচায়ক, নির্দেশ করে প্রকৃতপক্ষে সেটা কি ধরনের ফাইল। REN দিয়ে দুটো নামই পরিবর্তন (প্রাইমারীও সেকেণ্ডারী বা এক্সটেনশন) করা যায়। তবে সেকেণ্ডারী নেমকে সাধারণতঃ কেউ পরিবর্তন করে না।

 

MS-DOS-এর তারিখ এবং সময়

PC-তে থাকে একটা রিয়েল টাইম ক্লক বা RTC যেটা চলে ব্যাটারীতে। এই পুরাে ব্যবস্থাটাই PC-র মেন বা মাদার বাের্ডে থাকে। RTCটা মাইক্রোপ্রসেসর-এর সঙ্গে ইন্টারফেস করা থাকে যাতে বাইরে থেকে OS বা অন্য সফটওয়্যার একে পড়তে পারে এবং তারিখ ও সময় পরিবর্তন করতে পারে। MS-DOS-এ রয়েছে DATE এবং TIME কম্যান্ড যার সাহায্যে যথাক্রমে তারিখ এবং সময় পরিবর্তন করা যায় এবং দেখা যায়।
 
C:>DATE
Current date is Thu 06-12-2021
Enter new date (mm-dd-yy) :_

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে DATE এবং TIME-এর সাথে সাধারণতঃ কোন প্যারামিটার ব্যবহার করা হয় না এবং যেকোন ডিরেক্টারীতে থাকা অবস্থাতেই একে প্রয়ােগ করা যায়।

উদাহরণে দেখছেন যে DATE নির্দেশ পেয়ে MS-DOS কারেন্ট ডেট অর্থাৎ আজকের তারিখ দেখাচ্ছে। এরপরের লাইনে আপনার কাছে নতুন ডেট চাইছে। যদি তারিখ পরিবর্তন করতে চান, তবে এই ফম্যাটে (অর্থাৎ প্রথমে মাস বা mm তারপরে তারিখ বা dd এবং সবশেষে তারিখ বা yy লিখে দিতে হবে, MS-DOS-এ প্রায় সব ক্ষেত্রেই তারিখ-এর ফম্যাট এরকম অর্থাৎ mm-dd-yy, সালকে দুই অক্ষরে বা চার অক্ষরে লেখা যায়) ডেট দিয়ে এন্টার চাপুন।

যদি কোন কিছু ভুল লেখেন তবে Invalid date মেসেজ দেখতে পাবেন। কিছু না লিখে এন্টার চাপলে DOS ঐ পুরােনাে তারিখটাই নিয়ে নেবে। সময় বা TIME-এর ব্যাপারটাও হুবহু এক। ডস্ প্রম্পটে TIME লিখে এন্টার চাপলে আপনি দেখতে পাবেন-

Current time is 15:53:20.41p
Enter new time:_
 

উদাহরণে যে সময়টা দেখানাে হয়েছে সেটা হল প্রকৃতপক্ষে দুপুর বারােটা পঁয়তাল্লিশ মিনিট এবং 20.41 সেকেন্ড। আপনার ক্ষেত্রে সময়টা অবশ্যই অন্যরকম হবে। এখানে সেকেন্ডকেও ১০০ ভাগে ভাগ করা হয়, সেজন্য 20.41 সেকেন্ড হয়েছে। সবশেষে p নির্দেশ করছে PM।

এই সময় পরিবর্তন করতে চাইলে এই একই ফর্ম্যাটে সময় দিন। সেকেন্ড এর অংশটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। সেকেন্ডের অংশ না দিলেও MS-DOS সময়টা গ্রহণ করবে। a বা p দিতে পারেন AM এবং PM-কে বােঝানাের জন্য।

MS-DOS-এর ভারশন এবং ভলিউম

মনে করুন আপনি যে PC-তে কাজ করছেন, সেটাতে আগে থেকেই MS-DOS ইনস্টল করা ছিল। কিন্তু আপনি জানেন না যে কোন ভারশনের MS-DOS আপনার কাছে রয়েছে। এই বই-এর প্রায় সব উদাহরণেই ব্যবহার করা হয়েছে MS-DOS ভারশন 6.22।

MS-DOS-এ তার নিজস্ব ভার্শন সম্পর্কে জানবার জন্য রয়েছে VER নামক কম্যান্ড। কম্যান্ড প্রম্পটে VER ← নির্দেশ দিলেই জানতে পারবেন আপনি কোন ভার্শনের MS-DOS ব্যবহার করছেন। MS-DOS 6.22-এর ক্ষেত্রে এটা দেখাবে- MS-DOS version 6.22

ভলিউম হল ডিস্কের ভলিউম লেবেল। DIR করবার সময় সবার প্রথম লাইনে একে দেখা যায়। DIR ছাড়াও VOL কম্যান্ডের সাহায্যে কোন ড্রাইভের (অর্থাৎ ডিস্কের) ভলিউম লেবেল জানা যায়। যেকোন ডিরেক্টারীতে থাকা অবস্থায় একে প্রয়ােগ করা যায়। যেমন-

C:DOS>VOL A: 
এখানে A ড্রাইভের ভলিউম দেখা যাবে, অনেকটা নীচের মত
  • Volume in drive A is SUDIPTO
  • Volume Serial Number is 2 A3D-57B9
ভলিউম সিরিয়াল নম্বরটা একটা হেক্সাতেসিম্যাল সংখ্যা এবং এটা নির্দিষ্ট থাকে। আপনার ডিস্কের ক্ষেত্রে ভলিউম লেবেল এবং সিরিয়াল নম্বর আলাদা হবে। ডিস্কের কোন ভলিউম লেবেল না থাকলে আপনি দেখতে পাবেন- Volume in drive A has no label.

MS-DOS প্রম্পটের চেহারা

সাধারণভাবে (অর্থাৎ MS-DOS ইনস্টল হওয়ার পরেই, এর কোন কনফিগারেশন পরিবর্তন না করেই, একে বলে ডিফল্ট (default) ব্যবস্থা), MS-DOS-এর প্রম্পট বা কম্যান্ড প্রম্পটের চেহারা হয় A> বা C>।

প্রকৃতপক্ষে আমরা নিজেরা এটাকে পরিবর্তন করে নিই যাতে এটা সবসময় current path দেখায়। তবে ডিফল্ট প্রম্পট কিন্তু A> বা C> | MS-DOS-এ রয়েছে prompt নামক এক ইন্টার্নাল কম্যান্ড যাতে আমরা আমাদের সুবিধামত করে ড প্রম্পটের চেহারা তৈরী করে নিতে পারি।

যে ডিরেক্টারীতে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, ড প্রম্পটের পরে PROMPT লিখে এন্টার চাপলেই আপনি পাবেন A> বা C> ধরনের প্রম্পট।
PROMPT-এর সঙ্গে যে যে অপশনাল ফরম্যাট নির্দেশ ব্যবহার করা যায়, সেগুলাে হল-

যেকোন টেক্সট – ঐ নামের প্রম্পট হবে। যেমন যদি PROMPT MY NAME IS SUDIPTO লেখা হয় তবে A>বা C>-এর বদলে MY NAME IS SUDIPTO দেখতে পারেন এবং তার পাশে কারসার দপদপ করবে।

  • SQ – সমান চিহ্ন বসবে। যেমন, PROMPT $Q দিলে ‘= -’ চিহ্নযুক্ত প্রম্পট আসবে।
  • $$ – ডলার চিহ্নযুক্ত প্রম্পট। যেমন, PROMPT PRICE IS 4$$ দিলে দেখা যাবে – PRICE IS 4$ – প্রম্পট।
  • $T – কারেন্ট টাইম দেখাবে।
  • $D – কারেন্ট ডেট দেখাবে।
  • $P – কারেন্ট পাথ এবং ড্রাইভ। এটাই বেশি ব্যবহৃত হয়।
  • $V – MS-DOS-এর ভার্শন দেখাবে।
  • $N – কেবলমাত্র কারেন্ট ড্রাইভ দেখাবে, পথ দেখাবে না।
  • $G – ‘>’ বা greater than চিহ্ন দেখাবে। এটাই $P-এর সঙ্গে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  • $L – ‘<’ বা less than চিহ্ন দেখাবে।
  • $B – পাইপ লাইন ক্যারেক্টার (1) দেখাবে। এটাই $P-এর সঙ্গে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  • $H – একটা ব্যাকস্পেস দেবে। যদি PROMPT ABCD$H লেখেন, তবে শুধু ABC দেখতে পাবেন, D-কে পাবেন না। যদি শুধুমাত্র PROMPT $H লেখেন তবে কিছুই দেখতে পাবেন না। কেবল কারসার দপদপকরবে। এখানেই সরাসরি নির্দেশ (DOS কম্যান্ড) দিতে হবে।
  • $E – Escape.কোড ()-এর চিহ্ন পাবেন।
  • $ – ক্যারেজ রিটার্ণ বা এন্টার (1) এবং লাইন ব্রেকের কাজ হবে, কোন চিহ্ন দেখতে পাবেন না। কেবল প্রতিটি কম্যান্ড দেওয়ার পরে এন্টার চাপলেই কারসার এক লাইন-এর বদলে দুই লাইন নীচে নেমে যাবে।

এবারে একটা উদাহরণ দেওয়া যাক-

C>PROMET MY NAME $Q SUDIPTO, CURRENT DATE IS SD & CURRENT TIME IS $T. $B$V$B $_
 
$PSG
 
MY NAME = SUDIPTO, CURRENT DATE IS Thu 06-12-2021 & CURRENT TIME IS 16:16:57.66.
  | MS-DOS Version 6.22 |
C:DOS>
MY NAME = SUDIPTO, CURRENT DATE IS Thu 06-12-2021 & CURRENT TIME IS 16:17:18.15.
  | MS-DOS Version 6.22 | 
C:DOS>

আশা করি আপনারা PROMPT-এর পুরাে কার্যপদ্ধতি বুঝতে পেরেছেন। MS-DOS-এ যদি কখনও false loop-এ পড়ে যান, যেমন DIR/S নির্দেশ দিয়েছেন, ডিস্কে প্রচুর ফাইল থাকার জন্য লিস্টিং চলছে তাে চলছেই, কিম্বা কোন ভুল নির্দেশ দিয়ে ফেলেছেন সেটাকে বন্ধ করবার দরকার; তবে সেখান থেকে বেরােনাের জন্য Ctrl C(একে^বলে, এক হাতে Ctrl চেপে অন্যহাতে ‘C’ কীকে চাপতে হবে) বা Ctrl Pause অথবা Ctrl Break চাপতে হবে।